লিভারেজ শুনতে আকর্ষণীয় লাগলেও, এটি এক ধরণের দ্বিমুখী তরবারি। লাভের সময় লাভ বাড়ে, কিন্তু লোকসানের সময় আসল বিনিয়োগই ধসিয়ে দেয়। অনেকেই ভবিষ্যতের স্বপ্নে ডুবে গিয়ে অতিরিক্ত লাভের আশায় বিনিয়োগ করেন এবং বড় ক্ষতির মুখোমুখি হন। ওয়ারেন বাফেট বারবার বলেছেন, লিভারেজ দিয়ে বিনিয়োগ একেবারে পরিহার করা উচিত।
অনেকেই মনে করেন, বিভিন্ন ধরনের স্টকে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি কমে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, বড় সংকটের সময় সব সম্পদের দাম একসঙ্গে পড়ে যায়। তাই অযথা ডাইভারসিফিকেশন না করে, পছন্দের ভালো কোম্পানিতেই বড় অংশ বিনিয়োগ করাই উত্তম।
Fundamental এবং Technical analysis এর মডেল দিয়ে বাজারকে বোঝা সম্ভবনা। কারণ শেয়ারবাজার চালায় মানুষ, আর মানুষ আবেগপ্রবণ। এই কারণে কেবল চার্ট, কিংবা ফর্মুলা দিয়ে বিনিয়োগে সফলতা আসে না— দরকার সাধারণ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও যুক্তিবোধ।
সেরা মেধাবীরাও স্টকমার্কেটে ব্যর্থ হয়েছিলেন। বিনিয়োগে স্কুলের অংকই যথেষ্ট, বাকি নির্ভর করে অভিজ্ঞতা ও সময় দেয়ার উপর।
অনেকেই বড় প্রতিষ্ঠান বা বিনিয়োগকারির পোর্টফলিও দেখে বিনিয়োগের সিধান্ত নিবেন না।করেন ‘স্মার্ট মানি’ও মাঝে মাঝে ভয়ানক ভুল করে। তাই নিজের গবেষণা ছাড়া বিনিয়োগ করবেন না ।
Efficient Market Theory বলে সবাই যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাস্তবে বাজার চলে আবেগে । শেয়ারে দাম বাড়ে বা কমে বিনিয়োগকারিদের আতঙ্ক আর লোভা। একারনেই বাজারে অনেক সময় ভুল দাম থাকে এবং এটাই বিনিয়োগকারীদের সুযোগ দেয় প্রকৃত মূল্যায়নের।
আপনি হয়তো একটি ভালো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলেন, কিন্তু বাজার তার মূল্য দিতে সময় নেয়। ধৈর্য না থাকলে আপনি ক্ষতির মধ্যেই সব বিক্রি করে ফেলবেন। তাই ধৈর্য এবং টিকে থাকার সামর্থ্য জরুরি।
প্রথমে জরুরি প্রয়োজনের তহবিল গঠন করুন, তারপর দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নিয়ে ভাবুন। শেয়ারবাজারে শুধুমাত্র সেই অর্থই রাখুন, যা হারালেও জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলো বাধাগ্রস্ত হবে না।
নিজের প্রতিষ্ঠানে অথবা প্রতিষ্ঠানের স্টকে বিনিয়োগ বিপদজনক । ফেসেগেলে চাকরি ও সঞ্চয় /বিনিয়োগ উভয় যাবে।